এনসিপির সেই নেতাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ এএম

ফরিদপুরে অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠনের নীতি-আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বায়েজিদকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী বায়েজিদকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

এর আগে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার মোল্লা বাড়ি সড়কে বায়েজিদের মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। অভিযানে অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে তাঁকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই কারখানায় অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছিল।

এনসিপির ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বায়েজিদ হোসেন শাহেদ। দলীয় সিদ্ধান্তের পর তাঁর সব সাংগঠনিক পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে।

এমইউ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত