বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর এবং তার স্ত্রী নীলকণ্ঠী পাটেকরের দীর্ঘ ৩৫ বছরের আলাদা থাকার রহস্য নিয়ে মুখ খুলেছেন তাদের ছেলে মালহার পাটেকর।
১৯৭৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতি কখনোই আইনগতভাবে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাবা-মায়ের সম্পর্কের গভীরতা এবং বাবার জীবনের শেষ মুহূর্তের নানা স্মৃতি শেয়ার করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মালহার।
মালহার জানান, বাইরে থেকে মানুষকে সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা করতে দেখা গেলেও, বাস্তবে তাদের পরিবার আবেগগতভাবে অত্যন্ত সুদৃঢ় ছিল।
ইনস্টাগ্রাম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার না করলেই যে বন্ধন হালকা হয়ে যায় না—সেটি তিনি স্পষ্ট করেন। আলাদা থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রায় চার দশকের সম্পর্কে কখনো টানাপোড়েন বা দূরত্ব তৈরি হয়নি বলে জানান তিনি।
বাবার শেষ দিনের স্মৃতিচারণ করে মালহার বলেন, গোয়ায় থাকাকালীন শারীরিক অস্বস্তি বোধ করায় পরিবারের সদস্যদের খবর দেন নানা পাটেকর।
খবর পেয়ে পুনে থেকে ছুটে আসার আগেই সব শেষ হয়ে যায়। একই সাথে তিনি গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে বলেন, তার বাবা শেষ দিনগুলোতে একা বা অসুস্থ ছিলেন না, বরং মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত অত্যন্ত ফিট এবং সক্রিয় জীবনযাপন করতেন।
সূত্র: নিউজ১৮
সৌরবিদ্যুতের চাপে শ্রীলঙ্কাজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট রক্ষায় মরিয়া ট্রাম্প