ইউক্রেনকে বিপুল অর্থ ও সামরিক সহায়তা দেওয়া সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিনিময়ে কিছুই পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, এই সহায়তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে এবং এর একমাত্র ফল হিসেবে বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইউক্রেনকে সহায়তা পাঠাতে পাঠাতে এখন কেবল যুক্তরাষ্ট্রই নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে অবিলম্বে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসার আহ্বান জানান ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইউক্রেন যদি দ্রুত এই যুদ্ধের অবসান না চায়, তবে তাদের সামনে অত্যন্ত করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে।
ট্রাম্পের মতে, রাশিয়ার বিশাল সামরিক সক্ষমতা ও পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে, যার ফলে তারা প্রতিনিয়ত সমরে এগিয়ে থাকছে। তাই কিয়েভকে বাস্তবতা মেনে নিয়ে চুক্তির পথ বেছে নিতে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের জন্য পুতিন ও জেলেনস্কিকে সরাসরি একই টেবিলে বসতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অন্য যেকোনো উপায়ে চুক্তি নিশ্চিত হলেই তিনি সন্তুষ্ট।
উল্লেখ্য, রাশিয়া ও ইউক্রেন—দুই রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত বিদ্বেষই বর্তমানে শান্তি প্রক্রিয়ার মূল অন্তরায় বলে মনে করেন ট্রাম্প। তবে ২০২২ সাল থেকে চলা এই যুদ্ধ থামাতে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসতে আগ্রহী তিনি।
রাজধানীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩ নেতা গ্রেফতার
বিএনপি জনগণ থেকে আস্থা হারিয়ে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছে