রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন সহায়তা বন্ধ করার পর ইউরোপীয় দেশগুলো অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে কিয়েভের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পও শক্তিশালী করছে ইউক্রেন। তবু মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট যোগাযোগের বিকল্প তৈরি করা দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।
সম্প্রতি ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় যথেষ্ট অগ্রগতি আনতে পারেননি। অন্যদিকে, ইউক্রেনের অভিযোগ, ওয়াশিংটন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা সীমিত করছে। যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে ট্রাম্প তাঁর দূতকে নরওয়ে ও রাশিয়ায় পাঠালেও শেষ পর্যন্ত তিন পক্ষের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরুর পরিকল্পনা ছাড়া উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এদিকে রাশিয়ার প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রয়েছে।
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ২০২৫ সালের শুরুতে ইউক্রেনের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজ বন্ধ করে দেন। এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে অন্তত ১৩১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছিল। জার্মান গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিল ইনস্টিটিউট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ছিল ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় একক দাতা।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও এর সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে এখন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি সহায়তা দিয়েছে। কিল ইনস্টিটিউটের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সাল থেকে ইইউর প্রতিষ্ঠান ও সদস্যদেশগুলো ইউক্রেনকে অন্তত ২২৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। ইউরোপের মধ্যে জার্মানি, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন উল্লেখযোগ্য সামরিক সহায়তা দিয়েছে। ইইউর বাইরে যুক্তরাজ্য ও নরওয়েও ইউক্রেনকে বড় অঙ্কের সামরিক সহায়তা দিয়েছে।
মার্কিন সহায়তার ঘাটতি পূরণে হিমশিম খাচ্ছে ইউরোপ
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বন্ধ হওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য অর্থায়ন বাড়িয়েছে। কিল ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ইইউর মাসিক সহায়তার গড় পরিমাণ ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্মিলিতভাবে যে মাসিক ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সহায়তা দিত, বর্তমান অর্থায়ন তার চেয়ে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার কম।
ইউরোপের অনেক দেশ ন্যাটোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি অস্ত্র কিনে ইউক্রেনকে সরবরাহ করছে। কিন্তু এসব অস্ত্র ইউক্রেনে পাঠানোর ক্ষেত্রেও পেন্টাগনের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে। ফলে মার্কিন প্রশাসনের হাতে ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ রয়ে গেছে।
ইউক্রেনের জন্য এখন বড় উদ্বেগের বিষয় হলো প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতি। রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সক্ষমতা থাকা অল্প কয়েকটি ব্যবস্থার মধ্যে প্যাট্রিয়ট অন্যতম। জেলেনস্কি শুক্রবার জানান, রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টর সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে। আগে সম্মত হওয়া অস্ত্রের জন্যও ইউক্রেনকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হয়ে গিয়েছিল। ফলে রুশ হামলা প্রতিহত করার সক্ষমতা কমে যায়। বৃহস্পতিবার রাতে কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, প্যাট্রিয়টের মজুত তখন শূন্য অথবা অত্যন্ত কম ছিল।
ওই হামলার পর সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি মিত্রদের কাছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা চান—রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা এবং ইউক্রেনকে আরও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া।
তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি অস্ত্র কেনার ওপর দীর্ঘমেয়াদি বাধা আরোপের সম্ভাবনা কম। কারণ, এসব অস্ত্রের ক্রয়াদেশ মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর জন্যও বড় ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করে।
গোয়েন্দা তথ্য ও স্যাটেলাইট যোগাযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা
অর্থনৈতিক সহায়তা কমে গেলেও সামরিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইউক্রেনের নির্ভরতা এখনো অনেক বেশি। বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্য, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা, স্টারশিল্ড স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ প্রযুক্তির বিকল্প ইউক্রেনের হাতে সীমিত।
স্টারশিল্ড হলো ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবস্থার সামরিক সংস্করণ। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের রাশিয়া কর্মসূচির পরিচালক ম্যাক্স বার্গম্যান বলেন, ইউরোপের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি নেই। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করতে হওয়ায় ইউরোপ নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।
বার্গম্যানের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ব্যাহত হলে ইউক্রেনের অর্থনীতিতে বড় ক্ষতি হতে পারে এবং বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা বাড়তে পারে। তবে এতে ইউক্রেনের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাশক্তি ভেঙে পড়বে বলে তিনি মনে করেন না।
জেলেনস্কি এর আগে জানিয়েছিলেন, কয়েকবার রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে গোয়েন্দা সতর্কবার্তা পায়নি ইউক্রেন। ফলে কিছু হামলার আগে বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রচলিত সতর্কসংকেত দেওয়া যায়নি বলে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, এতে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি বেড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও ট্রাম্প গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় সীমিত করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার রাতে জেলেনস্কি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আবার স্বাভাবিকভাবে চলছে।
তবে স্টারশিল্ড ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। শুক্রবার জেলেনস্কি ও ইউক্রেনের অন্য কর্মকর্তারা জানান, স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থাটির ব্যবহার এখনো সীমিত করা হচ্ছে। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইউক্রেনের জন্য স্টারশিল্ডের পূর্ণ সুবিধা পুনরায় চালু করা হয়েছে।
ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের অভিযোগ, গতির ওপর বিধিনিষেধের কারণে দ্রুতগতির সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে রুশ হামলা প্রতিহত করতে ব্যবহৃত ইউক্রেনীয় ইন্টারসেপ্টর ড্রোনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে সম্মুখযুদ্ধের বিভিন্ন এলাকায় সামরিক অভিযানও ব্যাহত হয়েছে।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, আত্মরক্ষার জন্য ইউক্রেন স্বাভাবিক গতিতে স্টারশিল্ড ব্যবহারের সুযোগ চায়। তবে তা না পেলেও দেশটি টিকে থাকবে এবং শক্তিশালী থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের চুক্তির খরচ ইউরোপীয় মিত্ররাই বহন করছে।
ট্রাম্প ও তাঁর কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা স্টারশিল্ড ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে তাঁরা স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফোনে ইলন মাস্ককে ইউক্রেনের স্টারশিল্ড ব্যবস্থায় পূর্ণ প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করেছিলেন। মাস্ক অবশ্য এককভাবে বিধিনিষেধ আরোপের কথা অস্বীকার করে বলেছেন, ব্যবহারের গতি বা পরিসরের সীমা নির্ধারণ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তাপুষ্ট প্রযুক্তি ও সামরিক ব্যবস্থায় যেকোনো বিঘ্ন ইউক্রেনের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে আরও বিনিয়োগ করতে পারে।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনে লাভবান হতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের সম্পর্কের অবনতির প্রভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়; এর ভূরাজনৈতিক প্রভাবও রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন কিয়েভের ওপর চাপ বাড়ানোয় রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ বাড়তে পারে।
সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে তা শিথিল করেছে এবং রাশিয়াকে ডিজেল রপ্তানির সুযোগ দিতে একটি সমঝোতা করেছে। অন্যদিকে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে ক্রেমলিন এখনো তার সর্বোচ্চ দাবিগুলো থেকে সরে আসেনি।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের রাশিয়া ও ইউরেশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক নাতিয়া সেস্কুরিয়ার মতে, ইউক্রেনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন চাপ রাশিয়াকে আশা জোগাতে পারে যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে একসময় ইউরোপের সমর্থনও দুর্বল হয়ে পড়বে।
নিউ ইউরেশিয়ান স্ট্র্যাটেজিস সেন্টারের আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বিভাগের প্রধান জন লফও মনে করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট করেছে। তাঁর মতে, ইউক্রেনের ওপর ট্রাম্পের চাপ, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং কিছু পদক্ষেপ কার্যকর না করা—এসব বিষয় ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
ট্রাম্প রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলার সমালোচনা করেছেন। জ্বালানির দাম বাড়ার জন্যও তিনি এসব হামলাকে দায়ী করেছেন, যদিও এ সময়ে ইরান যুদ্ধও জ্বালানিবাজারে প্রভাব ফেলেছে। জন লফের মতে, ইউক্রেনের রুশ তেল শোধনাগারে হামলা ট্রাম্পের বিরক্তির কারণ হয়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির দায় অন্যদিকে সরাতে চাইলে ইউক্রেন সহজ লক্ষ্য হয়ে উঠছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কিছু বিষয়ে উত্তেজনা কমতে পারে। তবে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষ ট্রাম্পের পুরো মেয়াদজুড়েই চাপ তৈরি করতে পারে।
সব মিলিয়ে, ইউক্রেন ইউরোপীয় সহায়তা ও নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পের ওপর ভর করে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তির বিকল্প দ্রুত তৈরি করা কঠিন। ফলে মার্কিন সহায়তা পুরোপুরি বন্ধ হলে ইউক্রেনের সামরিক কার্যক্রম ও বেসামরিক নিরাপত্তা গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
সূত্র: সিএনএন
ইরান যুদ্ধে কি পেলো যুক্তরাষ্ট্র? ট্রাম্পের উপর বাড়ছে চাপ
ফ্রান্সে বিক্ষোভ ও সহিংসতা ঠেকাতে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন
গ্রেপ্তার হলেই বাতিল হবে মার্কিন ভিসা, সতর্ক করলো দূতাবাস