চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আঁইলহাস ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সাপের দংশনে আব্দুল্লাহ (১২) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) দিনগত রাতে প্রথমে কবিরাজের কাছে অপচিকিৎসা নিয়ে কালক্ষেপণের পর তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত আব্দুল্লাহ ছয়ঘরিয়া গ্রামের আল আমিন জোয়ার্দ্দারের ছেলে। সে স্থানীয় ঘোলদাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আব্দুল্লাহকে সাপে দংশন করে। অন্ধকারে সাপটি দেখতে না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর তার শরীরে বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে এবং অসুস্থতা বাড়তে থাকলে তাকে গ্রামের জিমনগর পাড়ার এক কবিরাজের কাছে নেয়া হয়। ওই কবিরাজ পরীক্ষা করে জানান, তাকে সাপে কাটেনি।
কিন্তু আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে দ্বিতীয় আরেকজন কবিরাজের কাছেও নেয়া হয়। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে তাকে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হানিফ জানান, রাতে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুটি সাপে ছোবল দেয়। প্রথমে একজন কবিরাজের কাছে নেয়ার পর শিশুটি আরও সংকটাপন্ন হলে পরে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল বলেন, ঘুমন্ত একটি শিশু সাপের কামড়ে মারা গেছে। এ বিষয়টি তিনি অবগত রয়েছেন। তবে এখনো থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়নি। হাসপাতাল থেকে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সনদ দিলে যাচাই বাছাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।