সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ব্যায়ামের সমন্বয়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিস রেমিশনে (রোগের লক্ষণ ও রক্তে শর্করার মাত্রা ডায়াবেটিসের পর্যায়ের নিচে নেমে আসা) যেতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে অল্প বয়সে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিবিড় জীবনযাপন পরিবর্তনের ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তবে গবেষকেরা বলছেন, রেমিশন মানেই ডায়াবেটিস স্থায়ীভাবে সেরে যাওয়া নয়।
যুক্তরাষ্ট্রে আনুমানিক ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের মধ্যেও এ রোগ শনাক্তের হার বাড়ছে। যথাযথ চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকলে দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তশর্করার কারণে হৃদ্রোগ, কিডনি বিকল হওয়া এবং অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
গত ১ অক্টোবর ‘দ্য ল্যানসেট রিজিওনাল হেলথ—আমেরিকাস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা হয়েছে, নিবিড়ভাবে ওজন কমানো এবং পরিকল্পিত ব্যায়ামের সমন্বয়ে অল্প বয়সে শনাক্ত হওয়া টাইপ-২ ডায়াবেটিস রেমিশনে নেওয়া সম্ভব কি না।
কানাডা ও যুক্তরাজ্যের তিনটি বিশেষায়িত কেন্দ্রে পরিচালিত ছোট পরিসরের এই গবেষণায় অংশ নেন ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৯৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তাঁদের সবার স্থূলতা ছিল এবং আগের ছয় বছরের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস শনাক্ত হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল প্রায় ৩৮ বছর। তাঁদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকার গড় সময় ছিল দুই বছরের কিছু বেশি।
গবেষণার ফলাফল ও ডায়াবেটিস চিকিৎসায় এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে সিএনএনের সঙ্গে কথা বলেছেন চিকিৎসক লিয়ানা ওয়েন। তিনি একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এবং জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সহযোগী অধ্যাপক। এর আগে তিনি বাল্টিমোরের স্বাস্থ্য কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
অল্প বয়সে ডায়াবেটিস কেন উদ্বেগের?
চিকিৎসক লিয়ানা ওয়েনের মতে, ৪৫ বছর বয়সের আগে টাইপ-২ ডায়াবেটিস শনাক্ত হলে তাকে প্রাথমিক বয়সের ডায়াবেটিস বা আর্লি-অনসেট টাইপ-২ ডায়াবেটিস বলা হয়। পরবর্তী বয়সে শনাক্ত হওয়া ডায়াবেটিসের তুলনায় এটি অনেক সময় দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।
কোনো ব্যক্তির ৩০ বছর বয়সে ডায়াবেটিস শনাক্ত হলে তাঁকে জীবনের কয়েক দশক এ রোগ নিয়ে কাটাতে হতে পারে। দীর্ঘদিন রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে রক্তনালি, স্নায়ু, কিডনি ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ছাড়া তরুণ বয়সে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হৃদ্রোগ ও অকালমৃত্যুর ঝুঁকিও বেশি থাকে।
আগের গবেষণায় দেখা গেছে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওজন কমাতে পারলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস রেমিশনে যেতে পারে। তবে এ ধরনের বেশির ভাগ গবেষণায় বয়স্কদের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। নতুন গবেষণায় তরুণদের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি কার্যকর কি না, তা পরীক্ষা করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত ওজন কমানোর সময় পেশির ক্ষয় ঠেকাতে শক্তিবর্ধক ব্যায়াম কতটা কার্যকর, সেটিও খতিয়ে দেখা হয়।
ছয় মাসে ৫৪ শতাংশের ডায়াবেটিস রেমিশন
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের দৈবচয়নের ভিত্তিতে দুটি দলে ভাগ করা হয়। একটি দলকে নিবিড় খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম কর্মসূচিতে রাখা হয়। অন্য দলটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রচলিত চিকিৎসা চালিয়ে যায়।
ছয় মাস পর দেখা যায়, নিবিড় কর্মসূচিতে থাকা দলের ৫৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারীর ডায়াবেটিস রেমিশনে গেছে। অন্যদিকে প্রচলিত চিকিৎসা নেওয়া দলের ক্ষেত্রে এই হার ছিল মাত্র ৪ শতাংশ।
গবেষণায় রেমিশন বলতে বোঝানো হয়েছে, অন্তত তিন মাস রক্তে শর্করা কমানোর ওষুধ গ্রহণ না করেও হিমোগ্লোবিন এ১সি (এইচবিএ১সি) ৬ দশমিক ৫ শতাংশের নিচে থাকা। এইচবিএ১সি পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণত গত কয়েক মাসের গড় রক্তে শর্করার মাত্রা বোঝা যায়। ডায়াবেটিস শনাক্ত ও চিকিৎসার কার্যকারিতা মূল্যায়নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
নিবিড় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শরীরের চর্বিও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। প্রচলিত চিকিৎসা নেওয়া দলের তুলনায় তাঁরা গড়ে প্রায় ১৬ দশমিক ৫ পাউন্ড বা ৭ দশমিক ৫ কেজি বেশি ওজন কমিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁদের হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বেড়েছে। বিশ্রামের সময় হৃদ্স্পন্দনের হার কমেছে এবং ব্যায়াম করার সক্ষমতা উন্নত হয়েছে।
কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল কর্মসূচি?
প্রথম ১২ সপ্তাহ অংশগ্রহণকারীদের নিবিড় খাদ্যনিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা হয়। এ সময়ে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ৯০০ ক্যালরির খাবার গ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রথম দুই সপ্তাহ তাঁরা শুধু নির্ধারিত বিকল্প খাবার বা মিল রিপ্লেসমেন্ট গ্রহণ করেন। এরপর প্রতিদিন একটি সাধারণ খাবার যুক্ত করা হয়, তবে দৈনিক ক্যালরির সীমা বজায় রাখা হয়।
তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয় ব্যায়াম। অংশগ্রহণকারীরা সপ্তাহে দুবার বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যায়াম করেন। এর মধ্যে ছিল অ্যারোবিক ব্যায়ামের পাশাপাশি ওজন বা ব্যায়ামের যন্ত্র ব্যবহার করে শক্তিবর্ধক অনুশীলন। এ ছাড়া সপ্তাহে আরও এক দিন নিজ উদ্যোগে অ্যারোবিক ব্যায়াম করতে হতো।
শেষ ১২ সপ্তাহে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক খাবারে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে কমানো ওজন ধরে রাখার লক্ষ্য বজায় ছিল। এ সময়ও তাঁরা নিজ উদ্যোগে ব্যায়াম চালিয়ে যান এবং পুষ্টিবিদ ও ব্যায়াম বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শ পান। চিকিৎসকেরা পুরো কর্মসূচিতে রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করেন।
তবে গবেষণার এই ফলাফল দেখে একই কর্মসূচি নিজে নিজে অনুসরণ করা নিরাপদ নয় বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসক লিয়ানা ওয়েন। কারণ প্রতিদিন ৮০০ থেকে ৯০০ ক্যালরি গ্রহণের সীমা অত্যন্ত কঠোর এবং চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধান ছাড়া তা অনুসরণ করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ব্যায়ামের কর্মসূচিও ছিল বেশ কঠিন। গবেষণায় মাত্র ৪০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী কর্মসূচির সব শর্ত যথাযথভাবে পালন করতে পেরেছেন।
এ ছাড়া গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে বিশেষায়িত তিনটি কেন্দ্রে, যেখানে চিকিৎসক, পুষ্টিবিদ ও ব্যায়াম বিশেষজ্ঞদের নিয়মিত সহায়তা ছিল। সাধারণ চিকিৎসাব্যবস্থায় একই ধরনের ফল পাওয়া যাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কী করবেন?
টাইপ-২ ডায়াবেটিস রেমিশনে নেওয়ার চেষ্টা করতে চাইলে প্রথমে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন ওয়েন। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, রোগের পর্যায় ও চলমান ওষুধ বিবেচনা করে রেমিশনের লক্ষ্য নির্ধারণ এবং নিরাপদ পদ্ধতি বেছে নেওয়া জরুরি।
বিশেষ করে গবেষণায় ব্যবহৃত অতি কম ক্যালরির খাদ্যতালিকা চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধান ছাড়া অনুসরণ করা উচিত নয়। ইনসুলিন বা সালফোনাইলইউরিয়া শ্রেণির মুখে খাওয়ার ওষুধ গ্রহণকারীরা খাবারের পরিমাণ হঠাৎ কমিয়ে দিলে রক্তে শর্করা বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে। তাই খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে ওষুধের মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
তবে অতটা কঠোর খাদ্যনিয়ন্ত্রণ ছাড়াও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব। পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে চিনিযুক্ত পানীয় ও পরিশোধিত শর্করাজাতীয় খাবার কমানো যেতে পারে। খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, আঁশযুক্ত খাবার ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
শারীরিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক ব্যায়ামের লক্ষ্য নির্ধারণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন শরীরের প্রধান পেশিগুলোকে কাজে লাগিয়ে শক্তিবর্ধক ব্যায়াম করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব পরিবর্তন ডায়াবেটিসের অগ্রগতি ধীর করতে এবং জটিলতা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে, এমনকি রোগ পুরোপুরি রেমিশনে না গেলেও।
পেশি শক্তিশালী রাখার গুরুত্ব
গবেষণায় শক্তিবর্ধক ব্যায়ামের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে পেশির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
খাবার খাওয়ার পর ইনসুলিন হরমোন রক্ত থেকে গ্লুকোজ পেশিকোষে প্রবেশে সহায়তা করে। পেশিকোষ সেই গ্লুকোজ শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে অথবা জমা রাখে। কিন্তু টাইপ-২ ডায়াবেটিসে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় এই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। নিয়মিত ব্যায়াম পেশিতে গ্লুকোজ গ্রহণ বাড়াতে এবং ইনসুলিনের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
ওজন কমানোর সময় শরীর থেকে শুধু চর্বি নয়, পেশিও কমে যেতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পেশির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি আগে থেকেই বেশি থাকে। ফলে দ্রুত ওজন কমানোর সময় পেশি সংরক্ষণ করা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিবর্ধক ব্যায়াম পেশির শক্তি ও বিপাকীয় স্বাস্থ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নিবিড় কর্মসূচিতে থাকা ব্যক্তিদের শরীরের চর্বি উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও প্রচলিত চিকিৎসা নেওয়া দলের তুলনায় তাঁদের পেশির পরিমাণ বেশি কমেনি। আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তাঁদের হাতের মুঠির শক্তি প্রায় ৮ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ ওজন কমার পাশাপাশি পেশির শক্তিও উন্নত হয়েছে।
এ কারণে বিশেষজ্ঞরা অ্যারোবিক ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শক্তিবর্ধক ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়েছেন।
গবেষণার সীমাবদ্ধতাও রয়েছে
গবেষণাটি আশাব্যঞ্জক ফল দিলেও এর কয়েকটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়েন। প্রথমত, এতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। তাঁদের সবাই ছিলেন স্থূলতায় আক্রান্ত এবং অল্প সময় আগে টাইপ-২ ডায়াবেটিস শনাক্ত হয়েছে—এমন তরুণ। ইনসুলিন গ্রহণকারী এবং হৃদ্রোগ বা গুরুতর কিডনি রোগের মতো কিছু জটিলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের গবেষণার বাইরে রাখা হয়েছিল।
তাই বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী কিংবা রোগের জটিল পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে একই ফল পাওয়া যাবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
দ্বিতীয়ত, গবেষণায় নিবিড় খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সমন্বিত কর্মসূচির সঙ্গে প্রচলিত চিকিৎসার তুলনা করা হয়েছে। কিন্তু একই খাদ্যনিয়ন্ত্রণ অনুসরণ করে ব্যায়াম না করা ব্যক্তিদের নিয়ে আলাদা কোনো দল ছিল না। ফলে রেমিশন অর্জনে ব্যায়ামের অতিরিক্ত অবদান কতটুকু, কিংবা শুধু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলেও একই ফল পাওয়া যেত কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ছাড়া নিবিড় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারীরা স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছ থেকে তুলনামূলক বেশি সময় ও সহায়তা পেয়েছেন। এটিও ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
সবশেষে, অংশগ্রহণকারীদের মাত্র ছয় মাস পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই সময়ে ডায়াবেটিস রেমিশনে গেলেও তা স্থায়ীভাবে রোগ সেরে যাওয়ার প্রমাণ নয়। আবার ওজন বেড়ে গেলে বা অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনের ক্ষমতা আরও কমে গেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে।
তাই দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কতজন রোগী এই রেমিশন ধরে রাখতে পারেন, তা জানতে আরও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন।
সূত্র: সিএনএন