শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১,২০০ দেশি-বিদেশি অতিথি

দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি ভেঙে এবার প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্য এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথকে ঘিরে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ দেশি-বিদেশি অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথ নেবেন। একইসঙ্গে তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও পৃথক শপথ গ্রহণ করবেন বলেও জানা গেছে।

দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি ভেঙে এবার প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হচ্ছে। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন দেশি-বিদেশি অতিথি উপস্থিত থাকবেন। আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু।

এছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা ও শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসার-এর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনার কথা জানা গেছে। যুক্তরাজ্যের ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রারও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে আইন উপদেষ্টা রোববার সাংবাদিকদের বলেছেন। নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।