টি-২০ বিশ্বকাপ

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের ইতিহাস

বাকিদের কেউ দুই অঙ্কে যেতে পারেননি। ৪ উইকেটে ১০৬ থেকে ১৪৬ পর্যন্ত যেতেই অল আউট হয় অজিরা। জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্লেসিং মুজারাবানি ৪ ও ব্রাড ইভান্স নেন ৩ উইকেট।

আবারো নক্ষত্র পতন, ফের মহা অঘটন। এবার জিম্বাবুয়ের কাছে ধরাশায়ী সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। সর্বশেষ ২০০৭ বিশ্বকাপে অজিদের হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে।

এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনার শেষ নেই, এবার আলোচনার নতুন উপলক্ষ এনে দিলো জিম্বাবুয়ে। আজ (শুক্রবার) কলম্বোতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিয়েছে ২৩ রানে।

ব্যাট হাতে অস্ট্রেলিয়াকে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দেয় সিকান্দার রাজারা। আগে ব্যাট করে ২ উইকেটে তোলে ১৬৯। জবাবে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থামে ১৯.৩ ওভারে ১৪৬ রানে।

২০০৭ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে কেপ টাউনে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ১৯ বছর পর এসে আবার যখন বিশ্বমঞ্চে দেখা হলো, তখনো বিজয়ী জিম্বাবুয়ে।

এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সুযোগ যতটা সম্ভব কাজে লাগায় জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার ভালো শুরু করেন। ৭.৩ ওভারে ৬১ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।

তাদিওয়ানাশি মারুমানি ২১ বলে ৩৫ রান করে আউট হন। তিন নম্বরে নেমে রায়ান বার্লও করেন ৩০ বলে ৩৫। অন্যদিকে ফিফটি তুলে নেন ওপেনার ব্রায়ান ব্যানেট।

শেষ পর্যন্ত ৫৬ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত তার সাথে ছিলেন রাজা। তিনি করেন ১৩ বলে ২৫ রান। মার্কোস স্টয়নিস ও ক্যামেরন গ্রিন পান ১টি করে উইকেট।

রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা চোখে বিঁধেছে বেশি। এমনকি শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারও খেলতে পারেনি তারা। মাত্র ২৯ রানেই হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট।

জশ ইংলিস (৮), ট্রেভিস হেড (১৭), ক্যামেরন গ্রিন (০) এবং টিম ডেভিড (০) পর পর ফিরে যান। চাপের মুখে পরিস্থিতি সামলান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেনশ।

পাঁচ নম্বরে নেমে ম্যাক্সওয়েল করেন ৩২ বলে ৩১। রেনশের সাথে জুটিতে যোগ করেন ৭৭ রান। এরপর রেনশ চেষ্টা জরেও জেতাতে পারেননি দলকে। ১৮.৪ ওভারে তিনি আউট হন ৪৪ বলে ৬৫ করে।

বাকিদের কেউ দুই অঙ্কে যেতে পারেননি। ৪ উইকেটে ১০৬ থেকে ১৪৬ পর্যন্ত যেতেই অল আউট হয় অজিরা। জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্লেসিং মুজারাবানি ৪ ও ব্রাড ইভান্স নেন ৩ উইকেট।