২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা উভয়কেই হারানোর নজির আছে প্যারাগুয়ের। এবার ১৬ বছর পর তারা বিশ্বকাপে ফিরে শেষ ৩২ এ উঠেছে। যেখানে তাদের সামনে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দল জার্মানি। তাদের বিপক্ষে সোমবার (২৯ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটায় মাঠে নামার আগে দক্ষিণ আমেরিকার দুই জায়ান্টের বিপক্ষে পাওয়া সাফল্য থেকেই অনুপ্রেরণা খুঁজছেন প্যারাগুয়ে কোচ গুস্তাভো আলফারো।
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্যারাগুয়ে কোচ গুস্তাভো আলফারো বলেন, ‘আমরা আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলেছি। তারা জার্মানির মতোই শক্তিশালী, এমনকি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে আরও বড় দাবিদারও হতে পারে। কঠিন লড়াইয়ের মধ্যেও আমরা তাদের হারিয়েছি। সেই অভিজ্ঞতাই আমাদের আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।’
দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ২০১০ এর পর প্রথমবার বিশ্বকাপে ফিরেছে প্যারাগুয়ে। সেই আসরে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে আসরের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের কাছে অল্পের জন্য হেরে বিদায় নেয়। তবে আলফারো ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যারাগুয়ের বাছাইপর্বের চিত্র বদলে দেন। তার অধীনে দলটি বাছাইপর্বে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে হারানোর কৃতিত্ব দেখায় প্যারাগুয়ে।
তবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে শুরুটা ছিল হতাশাজনক। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪-১ গোলে হারের পর ১০ জন নিয়ে খেলেও তুরস্ককে ১-০ গোলে হারায় তারা। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে নকআউট নিশ্চিত করে প্যারাগুয়ে।
জার্মানির বিপক্ষে অবশ্য একাদশে থাকছেন না মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেজ। গ্রুপ পর্বে দুটি হলুদ কার্ড দেখায় তিনি নিষিদ্ধ। এছাড়া চোটের কারণে সেন্টারব্যাক ওমর আলদেরেতে'র খেলাও অনিশ্চিত।
তবে দলে ফিরছেন অন্যতম সৃজনশীল ফুটবলার মিগেল আলমিরন। তুরস্কের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখার পর এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারও মাঠে নামতে প্রস্তুত তিনি।
প্যারাগুয়ের অধিনায়ক গুস্তাভো গোমেজের বিশ্বাস, দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতাই নকআউটে তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
তিনি বলেন, ‘বাছাইপর্বে আমরা ব্রাজিল, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, কলম্বিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছি। আমরা অনেক চাপের পরিস্থিতির মুখে পড়েছি এবং সেগুলো কাটিয়ে উঠি।’