মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বললেন, ‘আমরা জানি না সে বেঁচে আছে কি না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কেউ বলছে না যে সে ১০০ শতাংশ সুস্থ। বলব, কেউ তাকে দেখেনি, যেটা অস্বাভাবিক। অনেকে বলছে সে ভয়াবহভাবে বিকৃত হয়ে গেছে। বলা হচ্ছে সে পা হারিয়েছে এবং ভীষণ আহত হয়েছে। অন্যরা বলছে সে মৃত।’
এর আগে এনবিসি নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্প বলেছিলেন, ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা এখনো বেঁচে আছেন এমন স্পষ্ট প্রমাণ তিনি দেখেননি। ক্ষমতা নেওয়ার পর মোজতবার প্রথম বার্তা কোনো প্রকাশ্য আবির্ভাব নয়, একটি লিখিত বিবৃতিতে ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর একাধিক গণমাধ্যম দাবি করেছে, মোজতবা বিমান হামলায় গুরুতর আঘাত পেয়ে কোমায় পড়েছেন। কিছু সূত্র বলছে তিনি এক পা হারিয়েছেন এবং পেটে বা লিভারে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে নতুন নেতা আহত হয়েছেন এবং এখনো প্রকাশ্যে আসেননি।
এই মাসের শুরুতে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে আসীন হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনি পুরোপুরি নজরের বাইরে রয়েছেন। এতে ইরানে ও বিশ্বজুড়ে তার স্বাস্থ্য ও অবস্থান নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। নিউইয়র্ক টাইমস ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রাথমিক হামলায় তিনি আহত হয়েছেন, সম্ভবত পায়ে চোট পেয়েছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাকে চলমান সংঘাতের ‘আহত বীর’ বলে উল্লেখ করেছে, তবে বিস্তারিত কিছু বলেনি। ইরানের কর্মকর্তারা তাকে অক্ষম বলার দাবি উড়িয়ে দিচ্ছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে ‘কোনো সমস্যা নেই।’