ইরানকে নিয়ে উপসাগরীয় প্রায় সব রাজতান্ত্রিক আরব সরকার এমন সময় অচলাবস্থার শিকার হয়ে আছে তখন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাদর আলবুসায়িদি দুবাই, মানামা ও দোহার মত শহরগুলোতে মার্কিন সেনা-অবস্থানগুলোর ওপর ইরানি হামলাগুলোকে মার্কিন-ইসরায়েলি বোমা বর্ষণের মোকাবেলায় ‘একমাত্র যৌক্তিক পথ’ বলে অভিহিত করেছেন।
তার মতে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর ইরানি হামলা ওয়াশিংটন ও তেল-আবিবের আগ্রাসনের অত্যন্ত যৌক্তিক জবাব।
মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ বলেছে, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং তাদের বিশ্বাস এই সংঘাতে কৌশলগত সুবিধাজনক অবস্থায় নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এই মন্তব্য করে লিখেছে, পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত দেশগুলো এ অঞ্চলের নিরাপত্তার ব্যাপারে তাদের নীতি-কৌশল পরিবর্তন করেছে।
এ অঞ্চলের আরব দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে উল্লেখ করে এই মার্কিন সাময়িকী লিখেছে, ইরান সম্পর্কে মার্কিন যুদ্ধকামিতা ও অস্থির নীতি এই আরব সরকারগুলোকে ক্লান্ত করে ফেলেছে।
এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব সরকারি নেতৃবৃন্দ ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিজেদের আলোচনায় তাদের ভূমিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে আতিথ্য দেয়ার কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তারা মনে করছেন যে এই ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তা দিতে পারছে না তাদেরকে, বরং সম্মুখ সমরের লাইনে থাকার উত্তেজনা বয়ে আনছে!
বিশেষ করে তাদের মূল উদ্বেগ হল এটা যে যুদ্ধ আরও জোরালো হয়ে উঠলে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের মৌলিক গুরুত্বের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদেরকে একা ফেলে রাখবে।