ইরানকে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এই সামরিক সহায়তা কার্যকর হতে পারে, যা চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই সরবরাহের মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বা ম্যানপ্যাডস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এ ধরনের অস্ত্র দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এবং নিম্ন-উড্ডয়নকারী যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ভূপাতিত করতে কার্যকর হওয়ায় যুদ্ধক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ড্রোন ও আকাশ হামলার প্রেক্ষাপটে এই সক্ষমতা ইরানের প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এই সরবরাহ বাস্তবায়িত হলে তা শুধু ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্যেও পরিবর্তন আনতে পারে। এতে করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক পরিকল্পনায় নতুন করে সমন্বয় আনার প্রয়োজন হতে পারে, যা সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এই অস্ত্র চালান সরাসরি চীন থেকে ইরানে না গিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাঠানো হতে পারে। এতে উৎস গোপন রাখা সহজ হয় এবং আন্তর্জাতিক নজরদারি এড়ানো যায়। এই ধরনের পদ্ধতি অতীতেও বিভিন্ন সামরিক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত চীনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর আগে বেইজিং এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা কোনো পক্ষকে সামরিকভাবে উসকে দেয় না এবং বরং সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক সমাধানকেই সমর্থন করে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া