নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিরোধের মধ্যে সোমবার (৬জুলাই) ৫দিনের সফরে প্রিন্স হ্যারির যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জানা গেছে, পুলিশি নিরাপত্তা সুবিধা না পাওয়ায় তার স্ত্রী ও সন্তানরা সফরের অধিকাংশ সময় তার সাথে থাকবেন না।
যুক্তরাজ্যে হ্যারির এ সফর শুরুর আগেই বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সাথে আনার পরিকল্পনা আপাতত হচ্ছে না।
বাকিংহাম প্রাসাদে তার থাকার ব্যবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড পত্রিকার বিরুদ্ধে করা তার সর্বশেষ মামলার রায়ও আসন্ন।
আগামী বছরের ইনভিকটাস গেমস শুরুর এক বছর বাকি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে হ্যারির এ সফর হওয়ার কথা।
২০২২ সালের পর এটিই পরিবারসহ তার প্রথম যুক্তরাজ্য সফর হওয়ার কথা ছিলো।
তবে সাসেক্সের ডিউকের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সপ্তাহের শেষে জানায়, পরিবারের জন্য পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাখ্যান করায় হ্যারির স্ত্রী মেঘান, ছেলে আর্চি এবং মেয়ে লিলিবেট লন্ডন পর্বে তার সাথে থাকবেন না।
সূত্রটি আরও জানায়, সফরের বাকি অংশের পরিকল্পনা এখনো বিবেচনাধীন। ফলে পুরো পরিবার যুক্তরাজ্যে যাবে কি না, কিংবা গেলেও লন্ডনের বাইরে অবস্থান করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
লন্ডনে অবস্থানকালে বাকিংহাম প্রাসাদে থাকার পরিকল্পনা নিয়েও পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
সোমবার হ্যারির আগমনের ঠিক আগে বাকিংহাম প্রাসাদ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবাসনের প্রস্তাব গ্রহণ না করায় তিনি সেখানে থাকছেন না। এতে সাসেক্সের ডিউকের দফতরের আগের বক্তব্যের সাথে অসঙ্গতি তৈরি হয়।
এক বিবৃতিতে হ্যারির মুখপাত্র বলেন, তার বাবা কিং চার্লস তৃতীয়ের আতিথ্য গ্রহণের যে প্রস্তাব ছিল, তা ‘শেষ মুহূর্তে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে’, যা ‘হতাশাজনক’।
এ সপ্তাহে হ্যারির সাথে তার বাবার সাক্ষাৎ হবে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।
জানা যায়,সর্বশেষ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ক্যানসারের এক অপ্রকাশিত ধরনের চিকিৎসাধীন রাজা চার্লসের লন্ডনের বাসভবন ক্ল্যারেন্স হাউসে তাদের সাক্ষাৎ হয়েছিলো।