শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জন্তরমন্তরের বিক্ষোভ থেকে তিনি জানান, অযোগ্য শিক্ষামন্ত্রীকে অবিলম্বে সরানো না হলে তরুণ সমাজ এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামবে।
একজন ব্যর্থ মন্ত্রীকে দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিলে ভবিষ্যতে মানুষ মোদীকে আর ভোট দেবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে অভিজিৎ বলেন, বিক্ষোভ থামাতে ব্যারিকেড ও জ্যামার বসাতে যে শক্তি নষ্ট করা হয়েছে, তা প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ব্যবহার করলে ২২ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতো। আন্দোলন শুরুর এতদিন পর প্রধানমন্ত্রী মোদির মুখ খোলা এবং অযোগ্য মন্ত্রীকে রক্ষা করার চেষ্টা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
আলোচনার প্রস্তাবে সিজেপির শর্ত:
সিজেপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ও জেপি নাড্ডা। তবে তারা সরকারি কার্যালয়ে বৈঠকের প্রস্তাব দিলেও সিজেপি তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সিজেপি মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো সরকারি ভবনে নয়—আলোচনা হতে হবে জন্তরমন্তর বা অন্য কোনো নিরপেক্ষ স্থানে।
দাবি পুরোপুরি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জন্তরমন্তরের এই বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
সংবাদ সূত্র: ২৩ জুলাই, জন্তরমন্তরে আয়োজিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) সংবাদ সম্মেলন ও নেতাদের দেওয়া বক্তব্য।