তেহরানে হামাস প্রতিনিধি 

শত্রুর কাছে কখনোই অস্ত্র সমর্পণ নয়

ইরানে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রতিনিধি খালেদ কুদুমি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফিলিস্তিনিরা কখনোই শত্রুর কাছে তাদের অস্ত্র সমর্পণ করবে না। সম্প্রতি ইরানের টেলিভিশনভিত্তিক এক রাজনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন।

কুদুমি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে আত্মরক্ষা করা যেকোনো স্বাধীনতাকামী মানুষের বৈধ অধিকার। তবে ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী কখনো আলোচনায় বিশ্বাস করে না এবং যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনো প্রতিশ্রুতিও মেনে চলে না।

হামাসের বর্তমান সামরিক শক্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, আল-কাসসাম ব্রিগেডসহ অন্য প্রতিরোধ বাহিনীগুলো পূর্ণ প্রস্তুতি ও সুদৃঢ় মনোবল নিয়ে এখনও মাঠে সক্রিয় রয়েছে। মূলত হামাসকে ধ্বংস করতে না পারার চরম ব্যর্থতার কারণেই ইসরায়েল আলোচনা চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

‘আল-আকসা তুফান’ অভিযানকে এক ঐতিহাসিক মোড় আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই লড়াইয়ের পর বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের প্রকৃত শিশুহত্যাকারী রূপ উন্মোচিত হয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকায় তীব্র প্রতিবাদ ও ছাত্র আন্দোলনের ফলে আন্তর্জাতিকভাবে তারা আজ চরম একঘরে।

ফিলিস্তিন ও ইরানের শত্রুকে অভিন্ন আখ্যা দিয়ে হামাস প্রতিনিধি বলেন, ইরানের জনগণের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের মূল প্রেরণা। এই অকৃত্রিম ঐতিহাসিক ও নৈতিক বন্ধন বাস্তবে তেহরানকে এক ‘শক্তিশালী গাজায়’ রূপান্তর করেছে।

সোর্স: পার্সটুডে (আইআরআইবি নিউজ এজেন্সির বরাতে)।