ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন।
ভয়াবহ এই কম্পনে শত শত ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরের দিকে মাটির মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে এই তীব্র ভূকম্পনটি উৎপন্ন হয়।
উৎপত্তিস্থল অগভীর হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির তীব্রতা অনেক বেশি হয়েছে এবং পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী পরাঘাত (আফটারশক) অনুভূত হয়।
ভোররাতে মানুষ যখন ঘুমে অচেতন ছিলেন, ঠিক তখনই বেশিরভাগ ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
কেবল মাঙ্গারাই জেলাতেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ জন। একই সঙ্গে মৌমের বন্দরের ফেরি টার্মিনাল ভেঙে পড়ে কয়েকজন যাত্রী সাগরে ছিটকে যান।
ভূমিকম্পের পরেই তীব্র উপকূলীয় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রশাসন দ্রুত সুনামি সতর্কতা জারি করে। সম্ভাব্য দুর্যোগ থেকে বাঁচতে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেন।
তবে পরবর্তীতে বড় ধরনের কোনো জলোচ্ছ্বাস না আসায় কয়েক ঘণ্টা পর এই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
বর্তমানে দেড় শতাধিক বসতবাড়ির পাশাপাশি বহু বিদ্যালয়, চিকিৎসা কেন্দ্র ও উপাসনালয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আফটারশকের ভয়ে বহু মানুষ খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন, অন্যদিকে দুর্গম অঞ্চলে জরুরি ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি