ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়ছে: আইআরজিসি

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৪০ দিনের হামলার পরও ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদন ও সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি। বরং যুদ্ধের সময় কার্যকর প্রমাণিত কয়েকটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন যুদ্ধের আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান। সাক্ষাৎকারটি ধারণ করা হয় আইআরজিসির একটি ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে।

সাক্ষাৎকারে প্রথমবারের মতো যুদ্ধ চলাকালে ইরানের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত বা প্রতিহত করা মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোন এবং একটি যুদ্ধবিমান থেকে উদ্ধার করা বিভিন্ন সরঞ্জামের অংশ দেখানো হয়।

প্রতিবেদনে মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার এবং ইসরায়েলি হার্মিস ৯০০ ও হার্মিস ৪৫০ ড্রোনের বড় অংশ দেখানো হয়। এ ছাড়া একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ও মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান থেকে পাওয়া কারিগরি সরঞ্জামও প্রদর্শন করা হয়।

আইআরজিসির ওই কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধের আগে নেওয়া বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপের কারণে অ্যারোস্পেস ফোর্সের সেলফ-সাফিশিয়েন্সি জিহাদ অর্গানাইজেশনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদন অবকাঠামোর ৮৫ শতাংশের বেশি অক্ষত রাখা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, ফলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদন কিংবা সরবরাহ, কোনোটিতেই কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।

যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কার্যকর ইউনিটগুলোতে সরবরাহ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর এ সরবরাহ আরও জোরদার হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যুদ্ধের সময় কার্যকর প্রমাণিত কিছু সরঞ্জাম ও ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন হার যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে সামরিক ইউনিটগুলোতে এসব সরঞ্জাম সরবরাহের হারও আগের সময়ের তুলনায় বেড়েছে।

তবে কোন কোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন কতটা বাড়ানো হয়েছে, সে বিষয়ে সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত জানানো হয়নি। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি

AS
আরও পড়ুন