অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সংস্থাটির গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, নীতি ও প্রচারণা বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক এরিকা গুয়েভারা রোসাস এই সিদ্ধান্তকে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রোসাস বলেন, এই পদক্ষেপ অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। তাঁর ভাষায়, এটি স্বীকার করে যে ইসরায়েলি বসতিগুলো ‘অবৈধ দখল, সংযুক্তিকরণ, জাতিগত নির্মূল এবং ফিলিস্তিনিদের চলমান উচ্ছেদ’-কে এগিয়ে নিচ্ছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপকে ‘শেষ নয়, বরং শুরুর পদক্ষেপ’ হতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও বিস্তৃত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রোসাসের মতে, শুধু বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞাই যথেষ্ট নয়। যুক্তরাজ্যকে কথার সঙ্গে কাজেরও মিল রাখতে হবে। এর মধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বন্ধ করা এবং আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করা অন্তর্ভুক্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ইসরায়েলি জনগণ নয়; বরং অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও দখলদারিত্বকে উৎসাহিতকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
ইসরায়েল অবশ্য এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।