ইসরায়েলি বসতিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের সিদ্ধান্তকে দুঃখজনক ও ক্ষতিকর বলে নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এই পাল্টা পদক্ষেপের কারণে ইসরায়েলের সঙ্গে ব্রিটেনের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
বিবিসি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিলিব্যান্ড বলেন, ইসরায়েলের এমন প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। এর আগে নেদারল্যান্ডসসহ অন্য দেশগুলো ইসরায়েলি বসতির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরও একই ধরনের পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্য পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধসহ বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ফ্রান্স ও কানাডাসহ আরও কয়েকটি দেশও একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে।
মিলিব্যান্ড বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সম্পর্ক রয়েছে এবং এসব সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের জন্য তৈরি হুমকির ক্ষেত্রেও ব্রিটেন তার ইসরায়েলি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।
ইসরায়েলের পাল্টা পদক্ষেপের মধ্যে পূর্ব জেরুজালেমের ব্রিটিশ কনস্যুলেট ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশও রয়েছে। ওই কনস্যুলেট জেরুজালেম, পশ্চিম তীর ও গাজা নিয়ে ব্রিটিশ কূটনৈতিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে মিলিব্যান্ডের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, বসতি ইস্যুতে মতবিরোধ বাড়লেও ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সহযোগিতা বজায় রাখার অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে না যুক্তরাজ্য। সূত্র: আলজাজিরা