‘জাতীয় প্রতিরক্ষা’ প্রস্তুতিতে সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেবে ইরান

‘জাতীয় প্রতিরক্ষা’ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্বেচ্ছাসেবী বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। ‘জানফাদা’ নামের এই কর্মসূচি রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানী তেহরানের তিনটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানের পশ্চিম এশিয়া নিউজ এজেন্সি (ওয়ানা) এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিভাগের উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আলিয়ান-নেজাদ জানান, কর্মসূচির আওতায় সেনাবাহিনীর চার শাখার সদস্যদের নির্ধারিত কয়েকটি ‘ফিল্ড-গ্যারিসন’ এলাকায় মোতায়েন করা হবে। সেখানে স্বেচ্ছাসেবী নাগরিকদের প্রথমে মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে তাদের জন্য আরও উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তেহরানের হাফতে তির স্কয়ারে এরই মধ্যে নতুন একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর আগে ইমাম হোসেইন স্কয়ারে প্রথম প্রশিক্ষণশিবির চালু করা হয়। আগামী কয়েক সপ্তাহে এসব কেন্দ্রে বেসামরিক নাগরিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে সেনাসদস্যদের ছদ্মবেশী রঙ করা বিমানবিধ্বংসী সরঞ্জাম নিয়ে মহড়া করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি বাধাবিঘ্নের প্রশিক্ষণপথ অতিক্রম এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট ব্যবহার করে অস্ত্র পরিচালনার অনুশীলনও দেখা যায়।

এক সংবাদ সম্মেলনে বাসিজ সংগঠনের প্রশিক্ষণ বিভাগের উপপ্রধান আলি কাওসারি জানান, প্রশিক্ষণের জন্য ১ হাজার ব্যাটালিয়ন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি সমাজের সর্বস্তরে বেসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কাওসারি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি ‘আরেকটি ভুল হিসাব’ করে নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই হামলা মোকাবিলা করবে।