গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করছেন ট্রাম্প?

ক্ষমতার অপব্যবহার, বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবির অভিযোগ ওঠায় গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েলকে বরখাস্ত করার কথা ভাবছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিএনএন।

কিম্বার্লি গিলফয়েল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ পুত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র-এর সাবেক বাগদত্তা (বিবাহের প্রতিশ্রুতি দেওয়া) ছিলেন। বাগদান ভাঙার পর তাঁকে গ্রিসে রাষ্ট্রদূতের মর্যাদাপূর্ণ এই পদটি দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রাষ্ট্রদূত পদে সিনেটের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে ট্রাম্পের এক সাবেক অনুদানকারীর কাছে নিজের ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটাতে ১ লাখ মার্কিন ডলার দাবি করেছিলেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ এবং টেক্সট বার্তার সত্যতা অস্বীকার করেছেন গিলফয়েল ও তাঁর আইনজীবী।

এই কেলেঙ্কারির ঘটনাটি এমন এক সময়ে প্রকাশ্যে আসে যখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অ্যাথেন্সে ডেমোক্রেসি সম্মেলনে অংশ নিতে গ্রিস সফরে ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ নিয়ে তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে সাংবাদিকদে জানান, "আমি কেবল বিষয়টি সম্পর্কে একটু জানতে পারলাম। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।"

অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কারও বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ পছন্দ করেন না এবং ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে উপযুক্ত পরিণতি ভোগ করতে হবে।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, সাবেক পরিবারের সদস্য ও মিত্ররা ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত সুবিধা নিলে তা বরদাশত করেন না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, তাই যেকোনো সময় আসতে পারে গিলফয়েলকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত।

সূত্র: সিএনএন