‘ককরোচ পার্টিকে’ যুক্তরাষ্ট্র অর্থ দিচ্ছে, অভিযোগ মার্কিন গায়িকার

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতাকারী মার্কিন দাতারা দেশটির নতুন রাজনৈতিক দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অর্থায়ন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন গায়িকা মেরি মিলবেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভারতের তরুণদের এই শক্তির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মেরি মিলবেনের দাবি, মার্কিন শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের উগ্রপন্থী করে নিজ দেশে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর একটি বৈশ্বিক প্রবণতা রয়েছে। তবে এ ধরনের প্রচেষ্টা ভারতের অগ্রগতি ও সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের তরুণ দেশপ্রেমিকদের উদ্দেশে এই গায়িকা বলেন, মোদির নেতৃত্বে দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই শক্তির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পালটা আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেছেন মেরি মিলবেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাঁকে ‘ভারতীয় স্বপ্নের দীপ্তিময় আলোকবর্তিকা’ বলে অভিহিত করেছিলেন তিনি।

এ ছাড়া গত আগস্টে নিউইয়র্ক সিটিতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভগবতের অনুষ্ঠান ঘিরে হওয়া প্রতিবাদেরও সমালোচনা করেছিলেন এই মার্কিন গায়িকা।

এদিকে, সিজেপি ও অভিজিৎ দীপকের অর্থায়ন নিয়ে আগেও নানা প্রশ্ন উঠেছে এবং তথ্য অধিকার আইনে অনুসন্ধান হয়েছে। তবে দীপক তাঁর বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ বৃত্তি ও শিক্ষা ঋণের মাধ্যমে মেটানোর কথা জানিয়ে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এই বিতর্কের মধ্যে গত মঙ্গলবার দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ ও শান্তিভঙ্গের অভিযোগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে ওই এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ। আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে পাঠিয়েছেন।

একই ঘটনায় তাঁদের আরেক সহযোগী অজিনক্যের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিল্লির নির্বাচন কমিশনপ্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করতে গিয়েই তাঁরা এই আইনি জটিলতায় পড়েন।