ইসরায়েলের নির্বাচনে ঝুলে গেলো ক্ষমতার সমীকরণ

ইসরায়েলের ২০২৬ সালের নির্বাচনে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটকে সরকার গঠনের জন্য কঠিন জোট সমীকরণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর মধ্যে ভোট কারচুপির অভিযোগও নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ১২০ আসনের ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। অন্যদিকে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের আসনসংখ্যা ৪৮। ফিলিস্তিনি-ইসরায়েলি দলগুলো সম্মিলিতভাবে পেয়েছে ১৯টি আসন।

ইসরায়েলে সরকার গঠনের জন্য নেসেটের অন্তত ৬১ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। সেই হিসাবে কোনো পক্ষই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। বরং ফিলিস্তিনি-ইসরায়েলি দলগুলোর ১৯টি আসন সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এখন সরকার গঠনের ভাগ্য নির্ধারণে শুরু হবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জোট ও সমর্থন আদায়ের আলোচনা। বিশেষ করে ফিলিস্তিনি-ইসরায়েলি দলগুলোর সমর্থন কোন পক্ষ পাবে, তার ওপর নির্ভর করতে পারে পরবর্তী সরকারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল আগামী ৪ নভেম্বর প্রকাশের কথা রয়েছে। আর নতুন নেসেটের সদস্যদের শপথ গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ নভেম্বর।

সব মিলিয়ে নির্বাচনে কোনো পক্ষের স্পষ্ট জয় না আসায় ইসরায়েলের রাজনীতি এখন অনিশ্চিত এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।