ইরান ও ইউক্রেনসংক্রান্ত শ্রেণিবদ্ধ সামরিক তথ্য ফাঁসের কথা স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল ব্রেট সিলভিয়া। এক বছরের মধ্যে পৃথক দুটি সংবাদমাধ্যমের দুই সাংবাদিকের কাছে তিনি এসব গোপন তথ্য সরবরাহ করেছিলেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের হাতে আসা অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (পেন্টাগন) শীর্ষ সামরিক পরিকল্পনাবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সিলভিয়াকে চলতি সপ্তাহে বরখাস্ত করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তাঁর বিরুদ্ধে গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চারবার পলিগ্রাফ বা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর সিলভিয়া ভিডিওতে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি স্বীকার করেন।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনা?
ইরান ও ইউক্রেন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা ও কৌশলগত তথ্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। এমন তথ্য সংবাদমাধ্যমের কাছে ফাঁসের অভিযোগ মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা এবং সামরিক তথ্য সংরক্ষণের প্রশ্ন সামনে এনেছে।
তবে কোন কোন নির্দিষ্ট তথ্য ফাঁস করা হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট দুই সংবাদমাধ্যমের পরিচয় কী এবং এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল কি না—প্রতিবেদনে তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সিলভিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল বা তাঁর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্যও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।