সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের ৬ দফা হামলা

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ এএম

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার ও সামরিক স্থাপনায় ৬ দফা হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, এসব হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তবে হুথিদের এ দাবির পক্ষে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, সৌদি আরবের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল থেকে রাজধানী রিয়াদ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতি অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল- রাস তানুরা তেল শোধনাগার; আবকাইক এলাকায় সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনা; রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর; দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর; রাবিগ তেল শোধনাগার; নাজরান অঞ্চলে সৌদি সামরিক বাহিনীর একটি সদর দপ্তর।

হুথি মুখপাত্রের দাবি, রাস তানুরা ও রাবিগ তেল শোধনাগারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আবকাইকে আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র, রিয়াদ বিমানবন্দরে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দাম্মাম বিমানবন্দরে ড্রোন ব্যবহার করা হয়। নাজরানের সামরিক সদর দপ্তরেও হামলার দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

এ হামলার দাবি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরানের রাজধানী তেহরানে সৌদি আরব ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরল এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

আঞ্চলিক বিরোধ সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে বৈঠকে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানানো হলেও ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত বাহিনী এবং সৌদি ভূখণ্ডে হুথিদের হামলার অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুথি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে। অন্যদিকে, হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলার কথাও জানিয়েছে জোটটি।

তবে সর্বশেষ ছয়টি হামলার দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এসব নির্দিষ্ট স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ওয়াইএ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত