তুরস্কের হামলায় সিরিয়ার ২৩ জন কুর্দি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। চলতি মাসে কুর্দিদের বিরুদ্ধে চালানো ধারাবাহিক হামলার সূত্র ধরে রবিবার (২ ডিসেম্বর) সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে এই হামলা চালানো হয়। তথ্যসূত্র: রয়টার্স।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিরা ছিলেন সিরীয় কুর্দিশ সশস্ত্র গোষ্ঠী ওয়াইপিজি এবং কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকের সদস্য।
দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াইপিজির ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে তুরস্ক। তবে আগের বাইডেন প্রশাসনের আমলে তাদের দাবিতে কেউ তেমন একটা কর্ণপাত করেনি। এখন তাদের আশা, নতুন ট্রাম্প প্রশাসন ওয়াইপিজির বিষয়ে মার্কিন নীতি সংস্কার করবেন।
ডিসেম্বরে সিরিয়ার দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার পতনের পর থেকে সেখানে অবস্থানরত কুর্দিশ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক ও তার মিত্ররা। কুর্দি যোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কুর্দি যোদ্ধারা যদি অস্ত্র সমর্পণ না করেন, তাহলে তাদের মাটিতে পুঁতে ফেলা হবে।’
তুরস্কের সামরিক বাহিনী ও তাদের মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়ার কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। আঙ্কারা বলছে, সিরিয়ার ভবিষ্যতে কুর্দিপন্থী ওয়াইপিজি মিলিশিয়ার কোনো স্থান নেই।