ইরাকে মার্কিন বাহিনীর হামলা ও কাতায়িব হিজবুল্লাহর হুমকি

ইরাকে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক হামলার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনী তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা 'C-RAM' সক্রিয় করার মাধ্যমে ভিক্টরি বেসে চালানো সর্বশেষ ড্রোন হামলাটি সফলভাবে প্রতিহত করেছে। একইসঙ্গে তারা ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে।

পরিস্থিতি বিশ্লেষণে এটি স্পষ্ট যে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি আরও একটি নতুন রণক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বাগদাদ থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ভিক্টরি বেস থেকে সাময়িকভাবে মার্কিন ও ন্যাটো (NATO) বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় কুর্দি এলাকাগুলোতে এখনো মার্কিন অবস্থান বজায় রয়েছে।

এদিকে, ইরাকের অন্যতম প্রধান ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী 'কাতায়িব হিজবুল্লাহ' আমেরিকানদের প্রতি একটি চরম আল্টিমেটাম জারি করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, বাগদাদের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস খালি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আর মাত্র পাঁচ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দূতাবাস না ছাড়লে বড় ধরনের হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

যেহেতু মার্কিন দূতাবাসটি বাগদাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সুরক্ষিত 'গ্রিন জোন'-এ অবস্থিত, তাই সেখানে কোনো হামলার ঘটনা ঘটলে সাধারণ ইরাকি জনগণের ওপর তার ব্যাপক প্রভাব পড়বে। একদিকে মার্কিন বিমান হামলা এবং অন্যদিকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর আল্টিমেটামে ইরাকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে।