দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানকে ‘প্রয়োজনীয়’ বলে বর্ণনা করে সমর্থন জানিয়েছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়েডফুল। মঙ্গলবার বার্লিনে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সারের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের কারণে সাধারণ মানুষ যেন দুর্ভোগের শিকার না হয়।
ওয়েডফুল বলেন, সেখানে থাকার প্রতিটি অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে যোগ করেন যে, লেবাননকে এমন এক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা যাবে না যেখানে সাধারণ নাগরিকদের চড়া মূল্য দিতে হয়। তার মতে, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে একটি নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠলে তা দীর্ঘমেয়াদে ইসরায়েলকে নিরাপদ করবে না।
অন্যদিকে, গিডন সার এই অভিযানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, হিজবুল্লাহকে নির্মূল করাই তাদের লক্ষ্য এবং লেবাননে ইসরায়েলের কোনো আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই। তবে বাফার জোন তৈরির জন্য দক্ষিণ লেবাননের বাড়িঘর ধ্বংস করার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য সংকট নিয়েও জার্মানি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। হরমুজ প্রণালির সংকটে উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়েডফুল জানান, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে জার্মানি এই জলপথের নিরাপত্তা রক্ষায় অবদান রাখতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ইরানের অবরোধ প্রমাণ করে যে বিশ্ব সরবরাহ ব্যবস্থা কতটা নাজুক। এছাড়া গাজা উপত্যকার ২০ লাখ মানুষের মানবিক বিপর্যয়ের কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বার্লিনের দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি ইসরায়েল ও জার্মানির বন্ধুত্বকে ‘ব্যতিক্রমী’ হিসেবে অভিহিত করেন। সূত্র: আলজাজিরা