কারবালায় নেওয়া হবে খামেনির মরদেহ

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষযাত্রায় যুক্ত হচ্ছে শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র নগরী কারবালা। তেহরান ও কোমের পর ইরাকের নাজাফ এবং কারবালায়ও তাকে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। এরপর ৯ জুলাই জন্মস্থান মাসহাদে দাফনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে কয়েক দিনব্যাপী এই ঐতিহাসিক বিদায়পর্ব।

প্রকাশিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে খামেনির মরদেহ। এরপর রাজধানীর প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত হবে শোকযাত্রা, যেখানে লাখো মানুষের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তেহরানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। সেখান থেকে ইরাকের নাজাফ এবং পরে কারবালায় নিয়ে যাওয়া হবে। ইমাম হুসাইনের স্মৃতিবিজড়িত কারবালা শিয়া মুসলিমদের কাছে অন্যতম পবিত্র ধর্মীয় কেন্দ্র হওয়ায় খামেনির শেষ বিদায়ে শহরটির অন্তর্ভুক্তিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কারবালার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে তার জন্মস্থান মাসহাদে। সেখানেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই শেষযাত্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ধর্মীয় নেতারাও এতে যোগ দিতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকেও একটি প্রতিনিধিদল অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারে। পাশাপাশি পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে তেহরান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যুর পর থেকেই ইরানজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, এনডিটিভি।