ইরানের সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষযাত্রায় অংশ নিতে রাজধানী তেহরানে নেমেছে লাখো মানুষের ঢল। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই শোক র্যালিটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম জনসমাগম হতে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা।
সোমবার (৬ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে জানা গেছে, স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্স থেকে এই ঐতিহাসিক শোক র্যালি শুরু হয়। এর আগে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির মরদেহ এই কমপ্লেক্সে দুই দিন রাখা হয়েছিল।
র্যালির আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই শোকযাত্রাটি প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। এটি তেহরানের দামাভান্দ স্ট্রিট, ইমাম হুসেন স্কয়ার, ইনকিলাব স্ট্রিট, আজাদি স্ট্রিট, আজাদি স্কয়ার এবং মেহরাবাদ বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত শহীদ লাশগরি হাইওয়ে হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে।
এর আগে গত রোববার ইরানের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। একই জানাজায় খামেনির সঙ্গে হামলায় নিহত তাঁর জামাতা ড. মেসবাহ-উল-হোদা বাঘেরি-কানি, মেয়ে জহরা হাদ্দাদ-আদেল, ১৪ মাস বয়সী নাতনি জহরা মোহাম্মদী-গোলপায়েগানি এবং সাইয়েদেহ বুশরা হোসেইনির মরদেহও শায়িত ছিল।
প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, তাজিকিস্তান ও তুরস্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে তেহরানে পৌঁছে প্রয়াত এই নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলও শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে অবস্থান করছে।