ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানে আজও লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। উপস্থিতির দিক থেকে এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ইরানের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।
সোমবার (৬ জুলাই) তার মরদেহ ঐতিহাসিক ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হয়। মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিহতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা তেহরানের রাজপথে আমেরিকা ও ইসরাইল বিরোধী স্লোগান দিয়ে তীব্র প্রতিশোধের দাবি তুলছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই আয়োজনকে জাতীয় ঐক্য ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছে।
জানাজায় খামেনির তিন ছেলে অংশ নিলেও নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি প্রকাশ্যে আসেননি। ওই হামলায় আহত হওয়ায় নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না বলে জানা গেছে।
এদিকে কঠোর নিরাপত্তা সতর্কতায় আজ তেহরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ এবং মেহরাবাদ ও ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
আজ তেহরানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ৫ দিনের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার তার মরদেহ পবিত্র নগরী কোমে নেওয়া হবে। এরপর বুধবার ইরাকের কারবালা ও নাজাফ হয়ে বৃহস্পতিবার খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারের পাশে চূড়ান্ত দাফন সম্পন্ন হবে। ওই দিন মাশহাদের আকাশসীমাও বন্ধ থাকবে।