শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের পর ইরানের সামরিক বাহিনী, ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী বাসিজের শীর্ষ নেতৃত্বে নতুন ৬ জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে নিয়োগ দিয়ে জরুরি সামরিক কাঠামো পুনর্গঠন করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি।
সেনাবাহিনীর নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আলী আবদোল্লাহি। তিনি সাবেক প্রধান আব্দুর রহিম মুসাভির স্থলাভিষিক্ত হলেন। যুদ্ধ চলাকালে জেনারেল স্টাফের তদারকিতে থাকা আইআরজিসির এই জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে দেশের পুরো সামরিক কমান্ডের মধ্যকার সমন্বয় বাড়াতে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীর গ্রাউন্ড ফোর্সের সাবেক প্রধান কিউমার্স হায়দারিকে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
আইআরজিসির নতুন প্রধান বা কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে আহমদ ওয়াহিদিকে। তিনি মোহাম্মদ পাকপুরের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
ওয়াহিদির ডেপুটি বা সহ-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোস্তফা ইজাদি। তাঁর ওপর বাহিনীটির প্রাতিষ্ঠানিক ও অপারেশনাল প্রস্তুতির মূল দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান উত্তেজনার মাঝে আইআরজিসি নেভির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আলী উজমাইকে।
আইআরজিসির সাবেক গোয়েন্দা প্রধান হোসেন তায়েবকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী বাসিজের প্রধান করা হয়েছে।
এই শীর্ষ নিয়োগগুলোর মাত্র একদিন আগেই সাবেক আইআরজিসি প্রধান মহসেন রেজাইকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়। এতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞ সাবেক আইআরজিসি ব্যক্তিত্বদের হাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভার অর্পণের চিত্রই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা