মাত্র ১১ দিনে তেল বিক্রি থেকে ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ যোগ হয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।
ফারস জানিয়েছে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ১১ দিনের সময়ে তেল বিক্রি থেকে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা ইরানের রিজার্ভে যুক্ত হয়েছে। সংবাদ সংস্থাটির প্রতিবেদক পর্যালোচনা করা নথির বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে যুক্ত হওয়া এই অর্থ ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণের সক্ষমতা বাড়াবে। চলমান অর্থনৈতিক চাপ ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রিজার্ভে এই অর্থ যোগ হওয়াকে দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফারসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসেই ইরানের তেল বিক্রি থেকে অর্জিত আয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নির্ধারিত মোট তেল আয়ের লক্ষ্যমাত্রার ৮০ শতাংশের বেশি ছাড়িয়েছে।
ইরানের বর্তমান অর্থবছর শুরু হয়েছে ২১ মার্চ ২০২৬ এবং শেষ হবে ২০ মার্চ ২০২৭। অর্থাৎ অর্থবছরের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই বাজেটে নির্ধারিত তেল আয়ের বড় একটি অংশ অর্জিত হয়েছে।
এদিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা জোরদারের উদ্যোগের মধ্যেই তেল আয়ের এই তথ্য সামনে এসেছে। ওয়াশিংটন তেহরানের অর্থনীতিকে চাপে ফেলতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেও ফারসের প্রতিবেদনে তেল বিক্রি থেকে ইরানের উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের তথ্য উঠে এসেছে।
নতুন এই আয় দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি ও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতা কিছুটা বাড়াতে পারে বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা