ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলেও এর ফলে তেহরান আরও চরম বা মরিয়া পদক্ষেপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। একই সঙ্গে ইরান ইসরায়েলে হামলা চালালে দেশটির সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোয় ব্যাপক হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মীদের এক অনুষ্ঠানে কাৎজ বলেন, ইরানের ওপর তীব্র অর্থনৈতিক চাপ এবং দেশটিতে সম্ভাব্য গণঅভ্যুত্থান ও শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তেহরানকে মরিয়া পদক্ষেপ নিতে ঠেলে দিতে পারে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ইরানের ওপর কার্যকর প্রভাব ফেলছে। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের শাসকগোষ্ঠী জানে কেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালানো থেকে তারা বিরত রয়েছে।
কাৎজ দাবি করেন, ইসরায়েল এর আগে দুই দফা ইরানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী হামলা চালিয়ে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করেছে এবং কৌশলগত সক্ষমতার বড় ধরনের ক্ষতি করেছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার দাবিও করেন।
তবে ইরান ইসরায়েলে হামলা চালালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন কাৎজ। তিনি বলেন, এমন হামলা হলে ইসরায়েল তার ওপর থাকা সব ধরনের সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।
কাৎজের হুমকি অনুযায়ী, ইরান হামলা চালালে দেশটির জাতীয় সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে। এর মধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোও থাকবে বলে জানান তিনি। এমন হামলার মাধ্যমে ইরানকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকিও দেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
ইরানের ওপর একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ এবং অন্যদিকে ইসরায়েলের সামরিক হুমকির মধ্যে কাৎজের এই মন্তব্য সামনে এলো। ফলে তেহরান-তেলআবিব উত্তেজনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপের প্রভাব নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সূত্র: ডন
হুথিদের তিন ড্রোন ভূপাতিত করলো ইয়েমেনি সেনাবাহিনী
১১ দিনে তেল বিক্রিতে ইরানের আয় ১ বিলিয়ন ডলার
আব্রাহাম লিংকনের দশা দেখে থাইল্যান্ডবাসী হতাশ