‘অবকাঠামো ও প্রতিষ্ঠানে হুমকি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন’

যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা চালালে উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের নিশানা করার যে হুমকি ইরান দিয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘যেকোনো পক্ষ’ অবকাঠামোতে হামলা চালালে তা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার স্বার্থের বিপক্ষে যায়।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের হুমকি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, ‘অবকাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যেকোনো হুমকিই আন্তর্জাতিক আইন এবং ভালো প্রতিবেশীসুলভ আচরণের লঙ্ঘন।’

এর আগে গালিবাফ, যিনি ইরানের প্রধান আলোচকও, হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এ অঞ্চলের কোনো অবকাঠামোই হামলা থেকে নিরাপদ থাকবে না। তিনি আরও বলেছিলেন, ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে না পারলে উপসাগরের কোনো দেশই নিজেদের তেল বিক্রি করতে পারবে না।

আল-আনসারির ভাষ্য, উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেরা এই যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি। আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপর আগ্রাসন ইরানকে বন্ধ করতে হবে।

তবে কূটনীতির পথ ছাড়ছে না কাতার। আল-আনসারি জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান এবং দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তি তৈরির কাজ দোহা অন্য মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে মিলে চালিয়ে যাচ্ছে। ‘প্রতিটি মধ্যস্থতাই অসাধ্য সাধনের মতো কঠিন উদ্যোগ,’ বলেন তিনি। নিজেরা হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পরও কাতার ‘শান্তির আশা ছাড়ছে না’ বলে জানান এই মুখপাত্র।

সূত্র: আলজাজিরা