তিন পাইলটের খোঁজে কাতারের কাছে আবাও তথ্য চেয়েছে ইরান

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

নিখোঁজ তিন পাইলটের বিষয়ে কাতারের কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য পায়নি ইরানের সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাইলটদের ভাগ্য কী হয়েছে, তা স্পষ্ট করতে দোহাকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে।

সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, পাইলটদের পরিস্থিতি নিয়ে ইরান নিয়মিত খোঁজখবর রাখছে। এ ক্ষেত্রে কাতার সরকার ও দেশটির সামরিক বাহিনীর সহযোগিতার কথাও তিনি স্বীকার করেন। তবে তার কথায়, ‘আমাদের প্রত্যাশা, সহযোগিতা আরও বাড়বে এবং কাতার আরও বেশি দায়িত্ব নেবে।’ আকরামিনিয়া জানান, পাইলটরা এখন কোথায় আছেন, সে বিষয়ে কাতারের কর্মকর্তারা ইরানকে বারবার বলেছেন যে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

ইরানের সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার শুরু ২ মার্চ। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর কাতারে মার্কিন পরিচালিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে অভিযান চালাতে শিরাজের ঘাঁটি থেকে দুটি সু-২৪ যুদ্ধবিমান ওঠে। সেনাবাহিনীর দাবি, লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পর ফেরার পথে পারস্য উপসাগরের ওপর বিমান দুটিকে ঘায়েল করা হয়। প্রতিটি বিমানে দুজন করে মোট চারজন পাইলট ছিলেন।

চার পাইলটের একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমির মরদেহ পরে ইরানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর শিরাজে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।

আগস্টের মাঝামাঝি ইরান প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দাবি করে, বাকি তিন পাইলট জীবিত অবস্থায় কাতারি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছেন। সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের কর্মকর্তা সাইয়্যেদ মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ রেড ক্রসকে লেখা চিঠিতে তাঁদের নাম জানান: জাভাদ সালেহি, আবদুলমাজিদ দাশতিয়ান ও ওমরান বেহরাভেশিয়ান।

কাতার এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, ভূপাতিত ইরানি পাইলটদের খুঁজতে কাতার উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছিল এবং একজনের দেহাবশেষ খুঁজে ফেরত দিয়েছে।

সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

এটিটিআর
আরও পড়ুন