কাতারের অর্থায়নে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার আব্বাসের

ইসরায়েলের নির্বাচনে কাতারের অর্থায়নে হস্তক্ষেপের কথিত ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আরব রাজনৈতিক দল রা’আমের চেয়ারম্যান মনসুর আব্বাস। একই সঙ্গে বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে নির্বাচনে অনিয়মতান্ত্রিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে কাতারের এজেন্টদের কাজ করার অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণও করেছেন আব্বাস।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে আব্বাস বলেন, বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে নির্বাচনে অনুচিত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ তদন্তে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় রা’আম।

নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ করে আব্বাস বলেন, আরব নাগরিকদের বিরুদ্ধে উসকানি ও তাদের রাজনৈতিক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করার যে প্রচার চালানো হচ্ছে, তার জবাবে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট, অভিযোগের পেছনে কোনো সত্যতা নেই। নেতানিয়াহুর সঙ্গে তুলনা টেনে তিনি বলেন, তাদের ক্ষেত্রে এটাই সত্য, আর কোনো মিথ্যা নয়।

এর আগে সোলবার্গের নির্দেশে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত নির্বাচনে বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে অনিয়মতান্ত্রিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তদন্ত শুরু করে। ইসরায়েলের স্বার্থবিরোধী বিদেশি পক্ষগুলোর অর্থায়ন নিয়ে গুরুতর সন্দেহের কথা উল্লেখ করে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

তদন্তে অর্থায়নের সম্ভাব্য বিভিন্ন পথ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে অতীতে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকা নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য যোগসূত্র এবং নগদ অর্থভর্তি খামের সঙ্গে রা’আম পার্টির ভোটের স্লিপ জব্দ হওয়ার খবরও রয়েছে। শিন বেতের প্রাথমিক তদন্তের বরাতে কাতার ও তুরস্ককে অর্থের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তদন্তের ফলাফল প্রকাশের আগে রা’আমের চেয়ারম্যান বা অন্য কোনো রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট