দীর্ঘ প্রতীক্ষিত শান্তি আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভিন্নমুখী তথ্য সামনে এসেছে। কাতার ও অন্যান্য বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ অবমুক্তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে, রয়টার্সের এমন প্রতিবেদনের পরই সেটি সরাসরি নাকচ করেছে ওয়াশিংটন। এক মার্কিন কর্মকর্তা শনিবার (১১ এপ্রিল) স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে কোনো ধরনের সম্মতি দেওয়া হয়নি।
এর আগে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে জব্দ থাকা সম্পদ মুক্ত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও সেখানে নিরবচ্ছিন্ন জাহাজ চলাচলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
ইরানি ওই সূত্র আরও দাবি করে, এই পদক্ষেপকে তেহরান একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির দিকে ওয়াশিংটনের আন্তরিকতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক চাপ কমাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল।
তবে মার্কিন পক্ষের সরাসরি অস্বীকৃতিতে পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। আলোচনার আগে এমন পরস্পরবিরোধী অবস্থান দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি আরও স্পষ্ট করে তুলছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ শর্ত দিয়েছিলেন, আলোচনায় বসার আগে বিদেশে আটকে থাকা প্রায় ৭০০ কোটি ডলারের সম্পদ ফেরত দিতে হবে। সূত্র: আলজাজিরা