'জব্দকৃত ইরানি জাহাজ মার্কিন হেফাজতেই থাকবে'

বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক তৎপরতা জোরদারের অংশ হিসেবে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা সংশ্লিষ্ট জাহাজ আটক অভিযানের তথ্য প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন। তিনি জানিয়েছেন, জব্দ করা ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারগুলো এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতেই রয়েছে এবং সেভাবেই থাকবে।

ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীকে বৈশ্বিকভাবে তথাকথিত ডার্ক ফ্লিট ও নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ‘মেরিটাইম ইন্টারডিকশন অপারেশন’ পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় ২০ এপ্রিল ‘টিফানি’ নামের একটি জাহাজকে থামানো হয়, যা ইরানের নিষেধাজ্ঞাভুক্ত তেল বহন করছিল। পরদিন জাহাজটিতে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয় মার্কিন বাহিনী।

এরপর ২২ এপ্রিল ‘ম্যাজেস্টিক এক্স’ নামের আরেকটি বড় ট্যাংকার জব্দ করা হয়। এই জাহাজটিকে তিনি বড় আকারের ক্রুসমৃদ্ধ তেলবাহী ট্যাংকার হিসেবে বর্ণনা করেন। উভয় জাহাজ ও তাদের ক্রুরা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও জানান, ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তার ভাষায়, যৌথ বাহিনীর লক্ষ্য হলো, ইরানি শাসনব্যবস্থা যাতে যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের স্বার্থের ক্ষতি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় পাঁচটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং এর মধ্যে দুটি জাহাজ জব্দ করেছে। তার দাবি, এসব জাহাজকে আগে ইরান নিজেই চলাচলের অনুমতি দিয়েছিল।

ব্রিফিংয়ের শেষাংশে তিনি ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসে বৈরুতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে বোমা হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ওই হামলায় ৬৩ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ১৭ জন ছিলেন মার্কিন নাগরিক। সূত্র: বিবিসি