ইরান যুদ্ধে নিহত সেনার শেষকৃত্যে বক্তব্যের সুযোগ পাননি মামদানি

ইরানের হামলায় জর্ডানে নিহত মার্কিন সেনা সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল সারা র‍্যাম্পারসাড শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকলেও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাননি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। নিহত সেনার পরিবারের সিদ্ধান্তেই তাকে বক্তব্য দিতে না দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) কুইন্সের ওজোন পার্কের একটি গির্জায় অনুষ্ঠিত শেষকৃত্যে মামদানি উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানে অন্য অতিথিরা বক্তব্য দিলেও তার নাম ঘোষণা করা হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি আইপ্যাডে প্রস্তুত করা বক্তব্য হাতে নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন।

পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিউইয়র্ক পোস্টকে জানায়, অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে রাখতেই মামদানিকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে মেয়রের কার্যালয় তার প্রস্তুত করা বক্তব্য প্রকাশ করে। সেখানে মামদানি বলেন, সার্জেন্ট র‍্যাম্পারসাড নিজের ভবিষ্যৎ বিসর্জন দিয়ে অন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন এবং তার এই আত্মত্যাগ চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শেষকৃত্যে নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, দূর থেকে র‍্যাম্পারসাড জীবন সম্পর্কে জানার পর তার মনে হয়েছে, তিনি যেন নিজের মেয়েদেরই একজন।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ বছর বয়সী সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল সারা র্যাম্পারসাড গত ১৭ জুলাই জর্ডানের মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত হন। একই হামলায় আরও দুই মার্কিন সেনাসদস্য, ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট টাইলার জেমস ফিহান এবং প্রাইভেট ইসাবেলা গনজালেসও প্রাণ হারান।

তারা আন্তর্জাতিক জোটের আইএসবিরোধী ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’-এর অংশ হিসেবে জর্ডানে মোতায়েন ছিলেন। র্যাম্পারসাড জার্মানির আনসবাখে অবস্থানরত মার্কিন সেনাবাহিনীর ১০ম আর্মি এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স কমান্ডের অধীনে সিগন্যাল অপারেশনস সাপোর্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সূত্র: ফক্স নিউজ