উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় দিন দিন বাড়ছে লবণাক্ততা। এর প্রভাবে কৃষিজমি, নিরাপদ পানির উৎস এবং খাদ্য উৎপাদন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় পরিবেশবান্ধব কৃষি, সমন্বিত চাষাবাদ এবং নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
রোববার (২৮ জুন) সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘খাদ্য ব্যবস্থা উপকূলীয় বাস্তবতা ও এগ্রোইকোলজি: ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ভবিষ্যতের সন্ধানে’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তারা এই আহবান জানান।
গ্রীন কোয়ালিশন (সবুজ সংহতি) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা জাহারুল ইসলাম।
সংলাপে বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা উপকূলীয় জেলা হওয়ায় এখানে লবণাক্ততা দিন দিন বাড়ছে। ফলে আগের মতো অনেক ফসলের আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকদের চাষাবাদের ধরনও পরিবর্তন করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে উপকূলের বহু মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে ভুগছেন। অনেক পরিবারকে পানি কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় নতুন সংকট তৈরি করছে।
বক্তারা আরও বলেন, কৃষিকাজে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও তাদের শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। কৃষিতে নারীর অধিকার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে সমন্বিত চাষাবাদ ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে। সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে সাতক্ষীরা ও সুন্দরবনকে রক্ষা করা সম্ভব বলেও মত দেন তারা।
সংলাপে বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়ক মো. শাহিন ইসলাম উপকূলীয় অঞ্চলের খাদ্য ব্যবস্থা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এগ্রোইকোলজিভিত্তিক কৃষির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক রেজা হাসান
কিশোরগঞ্জে জেলা প্রশাসকের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
ছাগলকে জোরপূর্বক পানি খাওয়ানোর ঘটনায় চাঁন বাদশা ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার