নেত্রকোনায় প্রধান নদ-নদীগুলোর তিনটি পয়েন্টে পানি কমছে। স্থিতিশীল রয়েছে একটি পয়েন্টে এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে একটি পয়েন্টে। তবে এ দুটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নীচ প্রবাহিত হলেও বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে জেলার কলমাকান্দা পয়েন্টে উব্ধাখালী নদীর পানি।
রোববার (৭ জুলাই) সকালে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সারওয়ার জাহান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, জেলার উব্ধাখালী, সোমেশ্বরী, কংস ও ধন নদীর পাঁচটি পয়েন্টের মধ্যে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত উব্ধাখালীর কলমাকান্দা, সোমেশ্বরীর দুর্গাপুর ও ধনু নদীর খালিয়াজুরীসহ তিনটি পয়েন্টে পানি কমছিল। তবে সোমেশ্বরী নদীর বিজয়পুর পয়েন্টে পানি স্থিতিশীল থাকলেও বাড়ছিল কংস নদীর জারিয়া পয়েন্টে। এ দুটি পয়েন্টে পানি স্থিতিশীল এবং বৃদ্ধি পেয়েও তা বিপৎসীমার নিয়ে রয়েছে। এছাড়া উব্ধাখালী নদীর পানি কমলেও বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিল।
এদিকে বন্যার পানিতে প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে কোথাও ধীরগতিতে পানি নামছে। আবার কোথাও রয়েছে স্থিতিশীল। এ অবস্থায় কমছে না পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ। গ্রামীণ কিছু সড়কের ওপর দিয়ে এখনও বন্যার পানি বইছে।
জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের হারুলিয়া চারিতলা এলাকার বাসিন্দা রাসেল মিল্কী জানান, আমাদের এলাকার মামুদপুর বাজার থেকে হারুলিয়া চারিতলা রাস্তাটি প্লাবিত হয়েছে। সড়কের ওপর হাঁটু পানি। এ অবস্থায় এখানকার অন্তত ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শাহেদ পারভেজ বলেন, নেত্রকোনার বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জেলার কিছু এলাকার মানুষ পানিবন্দি আছেন। হাওরাঞ্চল হওয়ায় এমনটা প্রতি বছরই হয়। তবে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদেরকে প্রয়োজনীয় সরকারি ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
