দেশে ভূমিকম্প নিয়ে আবহাওয়াবিদের সতর্কবার্তা

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম

ভূমিকম্পের আঘাতে একদিনে দুইবার কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ। সবশেষ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে মিয়ানমারের মিনবুতে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার এক জোরালো ভূমিকম্প হয়, তাতে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থান কেঁপে ওঠে। এর আগে, একইদিন ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় দেশে।

যে ফল্টে সবশেষ ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে, সেটি খুবই সক্রিয় থাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবারও ভূমিকম্পের (আফটার শক) আশঙ্কা রয়েছে। 

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ ব্যাপারে এক সতর্কবার্তা দিয়েছেন। 

ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকান ভূত্বাত্তিক অধিদপ্তর ইউএসজিএসের প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, সবশেষ ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯ মাত্রার। ভূ-পৃষ্ট থেকে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে এটি। এই ভূমিকম্পটি একই ফল্টের ওপরে সংঘটিত হয়েছে, যে ফল্টে ২০২৪ সালে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। ফল্টটি খুবই সক্রিয়। ফলে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। 

রাতের ভূমিকম্পটি কক্সবাজার শহর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ২০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশে অনেক ভারি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে বলেও জানান এই আবহাওয়া গবেষক।

৫ দশমিক ৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পের ২০ মিনিটের ব্যবধানে মিয়ানমারে আবার ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় এই ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়।

এর আগে, ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

AHA
আরও পড়ুন