প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকা প্রেসিডেন্টের বৈঠক

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ এএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো। বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, সহজ শর্তে ঋণসহায়তা অব্যাহত রাখা এবং বিভিন্ন খাতে কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেইসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের জুলাইয়ে জাইকা প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সময় ঢাকায় অনুষ্ঠিত ফলপ্রসূ বৈঠকের কথা স্মরণ করেন। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা এবং জাইকার অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান বাড়াতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বৈঠকে জাপানের সহায়তায় চলমান বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রাধিকার বিবেচনায় জাপানের কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণসহায়তা অব্যাহত রাখা এবং কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়।

এ সময় বাংলাদেশ–জাপান দক্ষতা উন্নয়ন অংশীদারত্ব গড়ে তোলা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠা এবং কৃষির আধুনিকায়ন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব তুলে ধরে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত বছরের মতো এবারও বাজেট সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। জাইকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সমৃদ্ধি অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এমইউ
আরও পড়ুন