আগামী নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতি সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতি দমন করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের নির্বাচনি এলাকা ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগামী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে পুনরায় সচল করা, জনগণের নিরাপত্তা তথা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সব স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। আমরা বিশ্বাস করি, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।’
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। মির্জা ফখরুল নিশ্চিত করেন যে, দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বেই আগামী সরকার গঠিত হবে।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই বিজয় আমাদের কাছে একইসাথে আনন্দময় ও বিষাদময়। আনন্দময় এই কারণে যে, ছাত্র-জনতার এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থান এবং হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের পর আমরা একটি উৎসবমুখর ও স্বচ্ছ নির্বাচন পেয়েছি। তবে বিষাদময় হচ্ছে এই কারণে যে, আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই ঐতিহাসিক বিজয় দেখে যেতে পারলেন না।’
আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচন এবং দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাদের নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত উঠে আসবে।’

বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান মির্জা ফখরুল। সেখানে তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের: বিএনপি
গণহত্যা ও গুম-খুনে জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না: সালাহউদ্দিন আহমদ
জনগণ তাদের ভাগ্যোন্নয়নের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিয়েছে: নজরুল ইসলাম
