অল-ইন-ওয়ান স্মার্ট পারফর্মার ‘ভিভো ওয়াই৩২’

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

ব্যস্ত জীবনে স্মার্টফোন এখন যোগাযোগের পাশাপাশি কাজ, পড়াশোনা ও ব্যবসারও গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এসব দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার ও ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজন একটি ব্যালেন্সড স্মার্টফোন। এই চাহিদা পূরণের লক্ষেই ভিভো নিয়ে এসেছে নতুন ওয়াই৩২।

ভিভো ওয়াই৩২ এ রয়েছে ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্লুভোল্ট ব্যাটারি ও ৪৪ ওয়াটের ফ্ল্যাশচার্জ প্রযুক্তি। ফোনটিতে মাত্র ১ শতাংশ চার্জ থাকলেও ৪জি নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ৩৫ মিনিট কথা বলা যায়। এ ছাড়া, এর ছয় বছরের ব্যাটারি স্বাস্থ্য প্রযুক্তির জন্য ১,৫০০ বার চার্জ দেওয়ার পরও ব্যাটারির মূল সক্ষমতার অন্তত ৮০ শতাংশ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

দীর্ঘদিন ব্যাটারির ভালো কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে ফোনটিতে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও ফোনটি দিয়ে টানা ১৪ ঘণ্টা ম্যাপ বা নেভিগেশন ব্যবহার, ২০ ঘণ্টা ছোট ভিডিও দেখা এবং ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কথা বলা সম্ভব। ফলে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ সময় ফোনটি ব্যবহার
করতে পারবেন।

ভিভো ওয়াই৩২ এর প্রিমিয়াম মেটালিক ক্যামেরা ডিজাইন এবং পেছনের ডাইনামিক লাইট ফোনটিতে এনে দিয়েছে আভিজাত্যের স্পর্শ। বিশেষ করে এর আকর্ষণীয় দুটি আইকনিক কালার ভ্যারিয়েন্ট টোয়াইলাইট রেড এবং সানসেট অরেঞ্জ যেকোনো আলোতে অনন্য সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে।

সোশ্যাল কন্টেন্ট বা স্মৃতি ধরে রাখতে এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা। ফ্রেম থেকে অপ্রয়োজনীয় বস্তু সরাতে কাজ করে #৩৯;এআই ইরেজ্#৩৯; ফিচার। ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের ৬.৮৭ ইঞ্চি এইচডি প্লাস ডিসপ্লে এবং ডুয়াল স্পিকার যেকোনো ভিডিও ওয়াচিং বা অডিও অভিজ্ঞতাকে করে তোলে দারুণ উপভোগ্য।

আইপি৬৯ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স এবং অ্যান্টি-ড্রপ আর্মার ডিজাইন ফোনটিকে ধুলাবালি, পানির ছিটেফোঁটা ও দৈনন্দিন ছোটখাটো ধাক্কা থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করে। ফোনটি স্থির পানির ৩ মিটার গভীরেও সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত ডুবে থাকলে সুরক্ষিত থাকতে পারে।

ভিভো ওয়াই৩২ এ রয়েছে ৫০ মাসের স্মুথনেস সাপোর্ট, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও পারফরম্যান্স বজায় রাখতে সহায়তা করে। ভিভো ডকমাস্টারের মাধ্যমে ফাইল দেখা, সম্পাদনা ও ই-সাইন করা যায়। এ ছাড়া, এআই ট্রান্সক্রিপ্ট অ্যাসিস্ট ও এআই ক্যাপশন মিটিং বা ক্লাসের কথোপকথন টেক্সটে রূপান্তর ও সংক্ষেপ করতে সহায়তা করে।

শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, প্রয়োজনীয় ফিচার ও সুরক্ষার সমন্বয়ে ভিভো ওয়াই৩২ হতে পারে একটি উপযোগী স্মার্টফোন।

ভিভো প্রসঙ্গে
ভিভো একটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যা মানুষের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন করে। মানুষ আর ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য। অনন্য সৃজনশীলতার মাধ্যমে ভিভো ব্যবহারকারীদের হাতে যথোপযুক্ত স্মার্টফোন ও ডিজিটাল আনুষাঙ্গিক তুলে দিচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধকে অনুসরণ করে ভিভো টেকসই উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়ন করেছে; সমৃদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী বিশ্ব মানের প্রতিষ্ঠান হওয়াই যার ভিশন।

স্থানীয় মেধাবী কর্মীদের নিয়োগ ও উন্নয়নের মাধ্যমে শেনজেন, ডনগান, নানজিং, বেইজিং, হংঝু, সাংহাই, জিয়ান, তাইপে, টোকিও এবং সান ডিয়াগো এই ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রে (আরএন্ডডি) কাজ করছে ভিভো। যা স্টেট-অফ-দ্য-আর্ট কনজ্যুমার টেকনোলজির উন্নয়ন, ফাইভজি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন, ফটোগ্রাফি এবং আসন্ন প্রযুক্তির ওপর কাজ করে যাচ্ছে। চীন, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ভিভোর পাঁচটি প্রোডাকশন হাব আছে (ব্র্যান্ড অথোরাইজড ম্যানুফ্যাকচারিং সেন্টারসহ) যেখানে বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন স্মার্টফোন বানানোর সামর্থ্য আছে। এখন পর্যন্ত ৬০টিরও বেশি দেশে বিক্রয়ের নেটওয়ার্ক আছে ভিভোর এবং বিশ্বজুড়ে ৫০০ মিলিয়নের বেশি ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রয়েছে।

এএইচএ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত