চীনা সহায়তায় পাকিস্তানের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান অর্জনের প্রচেষ্টা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হলেও তা মোকাবিলায় দিল্লি প্রস্তুত। ৮ অক্টোবর বিমান বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন বার্তাই দিয়েছেন ভারতের বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং।
তিনি জানান, পাকিস্তানি পাইলটরা বর্তমানে চীনে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তবে শুধু একটি উন্নত যুদ্ধবিমান দিয়ে যুদ্ধের ফল নির্ধারণ সম্ভব নয়। পুরো সামরিক ব্যবস্থার সাথে বিমানটির সঠিক সমন্বয়ই এখানে মূল বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
২০২৫ সালের পহেলগাম হামলার জবাবে চালানো ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তখন আধুনিক বিমান থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তান বিশেষ কিছু করতে পারেনি। কৌশলগত সঠিক ব্যবহারের ওপরই মূলত আকাশযুদ্ধের সাফল্য নির্ভর করে।
বর্তমানে স্কোয়াড্রন সংকট থাকলেও বার্ষিক ৩৬ থেকে ৪২টি নতুন বিমান যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। আগামীতে এমআরএফএ কর্মসূচির আওতায় ১১৪টি ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনা এবং এইচএএল-এর উৎপাদন বৃদ্ধি এ ঘাটতি পূরণ করবে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
লেবাননে মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৮ ইসরায়েলি সেনা