ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায় নারী সংকট, বিতর্কিত পুরুষ কর্মকর্তারা 

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ এএম

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনে শীর্ষ পদে থাকা নারী কর্মকর্তাদের একের পর এক অপসারণ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই ধরণের অভিযোগে অভিযুক্ত পুরুষ কর্মকর্তারা স্বপদে বহাল থাকলেও নারীদের বিদায় করা হচ্ছে বলে জোরালো সমালোচনা উঠছে।

সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বারলি গিলফয়েলকে পদত্যাগের নির্দেশ দিলে এই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের কথা বলা হলেও তিনি তা স্পষ্ট অস্বীকার করেছেন।

মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি এবং শ্রমমন্ত্রী লরি শাভেজ-ডিরেমারসহ চারজন শীর্ষ নারী কর্মকর্তা বাদ পড়েন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম এবং গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ডকেও পদ ছাড়তে হয়, যাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে পুরুষদের।

জেফরি এপস্টিনের নথি প্রকাশ, সরকারি তহবিলের অপব্যবহার কিংবা নীতিগত মতপার্থক্যের কারণে এসব নারী কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অথচ একই বা এর চেয়েও গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন পুরুষ কর্মকর্তারা।

উদাহরণস্বরূপ, এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল, বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক কিংবা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠলেও তাঁদের পদে বহাল রাখা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজকে এক পদ থেকে সরিয়ে জাতিসংঘে পদায়ন করা হয়।

ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে একে স্পষ্ট বৈষম্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তবে হোয়াইট হাউস ও ইন্ডিপেনডেন্ট উইমেনস ল সেন্টার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, লিঙ্গ নয় বরং যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সই পদায়নের প্রধান মাপকাঠি।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

এইচএন
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত