ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনায় নরওয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত উইটকফ

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১১ পিএম

ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ও সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে বৈঠকে অংশ নিতে নরওয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। আলোচনায় রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের সমাধানের পথ, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান গুরুত্ব পেতে পারে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে উইটকফের। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও পোল্যান্ডের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ন্যাটোর প্রতিনিধিরাও আলোচনায় অংশ নেবেন।
 
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের অনুরোধে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারকে আলোচনায় যুক্ত করা হচ্ছে। উইটকফ সরাসরি অসলোতে উপস্থিত থাকবেন। অসুস্থতার কারণে কুশনার ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকে অংশ নেবেন। আলোচনার লক্ষ্য হলো কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও গঠনমূলক পথে এগিয়ে নেওয়া। 

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইউক্রেন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে পরামর্শ করে একটি সমন্বিত শান্তি প্রস্তাব তৈরির চেষ্টা চলছে। পরবর্তী সময়ে এ প্রস্তাব রাশিয়ার কাছে উপস্থাপন করা হতে পারে। নরওয়ের বৈঠক শেষে রাশিয়া সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে উইটকফের। সেখানে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিয়ে আলোচনা করতে পারেন তিনি। পাশাপাশি রাশিয়ায় আটক মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডের মুক্তির বিষয়টিও আলোচনায় আসতে পারে। 

এদিকে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, মার্কিন সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন তিনি। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা কিছু অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

এ পরিস্থিতিতে অসলোতে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতটা এগোয়, তা পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। তবে বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি বা চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।

জেএম
আরও পড়ুন