লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক এলাকায় বিমান হামলা, বিস্ফোরণ ও স্থাপনা ধ্বংসের অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার (২১ অক্টোবর) এসব ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের কাফর তেবনিত শহরে বিস্ফোরক ব্যবহার করে বড় পরিসরে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এ ছাড়া জাওতার আশ-শারকিয়াহর উপকণ্ঠে আইন আল-সামাহিয়াহ এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বিকট শব্দ ও কম্পন অনুভূত হয়।
এনএনএর তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দক্ষিণ লেবাননের হাদাথা শহর এবং চাকরার কাছের ওয়াদি আস-সালুকি এলাকায় বিমান হামলা চালায়।
এদিকে আল জাজিরার সংবাদদাতারা লেবাননের উপকূলীয় শহর টায়ার ও আশপাশের গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি ড্রোন উড়তে দেখেছেন। রাজধানী বৈরুতের আকাশেও ড্রোনের উপস্থিতি দেখা গেছে বলে তাঁদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে হামলায় হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পর্কে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই।
এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসান ঘটাতে আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। এনএনএর প্রতিবেদনে তাঁর এ আহ্বানের কথা জানানো হয়েছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতা এবং বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। অন্যদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে সংঘাতের অবসানে আলোচনার পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাত্র ৫৬ ডলারের ক্ষতির অপরাধে ইরানে বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড